
ডেস্ক নিউজ : নীলফামারীর ডোমারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে সাতটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ডোমার সদর ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাগরিবের আজানের পর এলাকার একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বসতঘরে। আগুনে মৃত কামরুল হুদার ছেলে রাবেল ও রুবেল, নুরুল হুদার ছেলে লিটন ও লিজু এবং সামছুল হুদার ছেলে জুয়েলের বসতঘর পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত রুনা বেগম বলেন, আগুনে তাঁর ঘরসহ আশপাশের বসতঘর পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সময় একটি ঘরে আগুন জ্বলছিল। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাকি ঘরগুলোতেও।
রাবেল আহমেদ বলেন, আগুনে ঘরের স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। সব মিলিয়ে ২০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন তাঁরা নিঃস্ব।
অগ্নিকাণ্ডে সাইকেল ও জামাকাপড় হারিয়েছে শিশু লামিশা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সে বলে, ‘আমার সাইকেলটা পুড়ে গেছে। অনেকগুলো জামাকাপড়ও পুড়ে গেছে।’
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম জানান, এর আগেও ডোমারের অন্য একটি স্থানে আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ির মেশিন চালু করতে সমস্যা হয়েছিল। ততক্ষণে আগুনে সব শেষ হয়ে যায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডোমার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মুক্তি মাহমুদ। তিনি বলেন, রাস্তা খারাপ থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে সেই বিলম্ব সামান্য সময়ের ছিল।
